ই-পাসে স্টেশন কোটায় পরিবর্তনের দিশা মেট্রোয়
নিউজ ডেস্ক:- কলকাতা মেট্রোর যাত্রীদের যাতে ই-পাসের অভাবে মেট্রোরেলে চাপা বন্ধ না-হয় তার জন্য শুরু হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। এর জন্য বিভিন্ন স্টেশনকে 'ব্যস্ত' অথবা 'ফাঁকা' এমন দু'টি ভাগে ভাগ করে সেই অনুযায়ী ই-পাসের ডাউনলোড-ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনার চেষ্টা চলছে।
সংস্থার জেনারেল ম্যানেজার মনোজ যোশী বলছেন, 'আমরা দেখছি দমদম, এসপ্ল্যানেড বা মহানায়ক উত্তমকুমারের মতো কিছু স্টেশনে অনেকটা সময় ভিড় বেশি থাকে। কিন্তু তার সংলগ্ন স্টেশনটাই হয়তো অনেক ফাঁকা। তাই ভাবা হচ্ছে, যাত্রীসংখ্যার নিরিখে স্টেশন-পিছু ই-পাসের সংখ্যায় পরিবর্তন আনার কথা। এর জন্য দমদম, এসপ্ল্যানেড বা মহানায়ক উত্তমকুমারের মতো কিছু স্টেশনে ই-পাসের সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া হবে। আবার তুলনামূলক ফাঁকা স্টেশন থেকে কমসংখ্যক পাস পাওয়া যাবে।
১৭৪ দিন বন্ধ থাকার পর ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন করে চালু হয়েছে কলকাতা মেট্রোরেল পরিষেবা। প্রথম দিন প্রায় ২০ হাজারের কাছাকাছি যাত্রী কলকাতা মেট্রোয় চেপেছিলেন। তার পর থেকে ক্রমশ বেড়েছে মেট্রোর যাত্রী সংখ্যা। সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার ছাড়িয়েছিল একদিন। এক সপ্তাহ পরে এই সোমবার যাত্রী বেড়ে হয়েছে ৪৩ হাজার ৭০০, যা যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। ব্যস্ত সময়ে ১২ মিনিটের পরিবর্তে আট মিনিট অন্তর মেট্রোরেল চালানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থার জেনারেল ম্যানেজার। নর্থ-সাউথ মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা বাড়লেও ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর যাত্রীসংখ্যা তুলনায় একেবারেই নগণ্য। সোমবার সারাদিনে যাত্রীসংখ্যা মাত্র ১১২।