দেশদ্রোহিতায় মুর্শিদাবাদ, কেরালা থেকে NIA এর ধৃত ৬ জঙ্গি, (ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র থেকে পরিযায়ী শ্রমিক), দিল্লি যাচ্ছে
নিউজ ডেস্ক- মুর্শিদাবাদ এবং কেরালার এর্নাকুলামে অভিযান চালিয়ে নয় জন সন্দেহভাজন আল কায়দা সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (National Investigation Agency) বা NIA। এ রাজ্যের মুর্শিদাবাদে এবং কেরালার এর্নাকুলামে একাধিক জায়গায় অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে NIA।
এনআইএ সূত্রে খবরে, আল কায়দার যে সদস্যদের মুর্শিদাবাদ ও এর্নাকুলাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা হল - মুরশিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোসারফ হোসেন, নাজমুস শাকিব, আবু সুফিয়ান, মইনুল মণ্ডল এবং আতিতুর রেহমান। এরা প্রত্যেকেই আলকায়েদার ভারতীয় শাখার সক্রিয় সদস্য। অন্যদিকে একই সঙ্গে এনআইএ অভিযান চালায় কেরলের এর্নাকুলামে। সেখান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে, মুর্শিদ হাসান, ইয়াকুব বিশ্বাস, মোশারফ হোসেনকে। কেরল থেকেও যাদেরকে পাকড়াও করা হয়েছে তাদের মধ্যে দু’জন মুর্শিদাবাদেরই বাসিন্দা। গোটা নেটওয়ার্কই চলছিল মুর্শিদাবাদ থেকে। পাকিস্তান থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তারা সদস্য সংগ্রহ করেছে। দেশের সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিরীহ মানুষদের মারার পরিকল্পনা করছিল এই চক্রটি।'
ধৃতদের কাছ থেকে জিহাদি বইপত্র থেকে শুরু করে, বিস্ফোরক, ধারাল অস্ত্র, আইইডি, বিপুল পরিমাণে ডিজিটাল ডিভাইস, তথ্য, জিহাদি পত্রিকা, দেশী বন্দুক, স্থানীয় ভাবে তৈরি একটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট এবং বিস্ফোরক বানানোর পদ্ধতি নিয়ে লেখা একাধিক বই পাওয়া গিয়েছে। তাঁদের সন্দেহ এই মডিউলের সঙ্গে জামাতেরও সরাসরি যোগ রয়েছে। যদিও রিজওয়ানের দাবি, ‘‘ধর্মীয় কাগজ বলতে বাংলায় লেখা রাতে নমাজ পড়ার পদ্ধতি।‘
ছোট ভাই আল কায়দা জঙ্গি! কথাটা কোনও ভাবেই বিশ্বাস করতে পারছেন না রিজওয়ান আলি। ছোট ভাই ডোমকলের বসন্তপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কম্পিউটার সায়েন্সের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
নাজজলঙ্গির ঘোষপাড়ার বাসিন্দা আতিউর রহমানের মা নাজিরা বিবি। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে নদিয়ার করিমপুরে নেতাজি মহাবিদ্যালয়ের ছাত্র। করোনা পরিস্থিতির কারণে কলেজ বন্ধ থাকায় বাড়িতেই থাকতেন তিনি। এলাকাতেও বিশেষ মেলামেশা করতেন না। ।
শেষ পাওয়া এনআইএ সূত্রে খবরে দেশদ্রোহীতার অভিযোগ আনল জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনআইএ) । তাদের বিরুদ্ধে ইউএপি আইনের ১৬, ১৭, ১৮, ১৮(বি) এবং ২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এদিকে, ধৃত ৬ জনের আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনআইএ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতার বিশেষ আদালত।