ক্যানসার নিয়ে টানা ১৬৬ দিন গাইছেন স্বাগতালক্ষ্মী
নিউজ ডেস্ক- পুরো লকডাউন জুড়ে প্রতিদিন গান করেছেন তিনি। সঙ্গে ভিডিয়ো বানিয়ে পোস্ট করেছেন নিজের ইউটিউব চ্যানেলে। ছাত্র-ছাত্রীদের ডিপ্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে আজ হবে টানা ১৬৬ দিন গাওয়া।
গত বছর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন শিল্পী। যে চুল ছিল তাঁর ভালোবাসার, অসুখের পর তিরুপতিতে তা দান করে দিয়েছেন। এইঅবস্থায় অনুষ্ঠানে গিয়ে মুখোমুখি হতে হয়েছে নানা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির ও সতীর্থদের ব্যঙ্গের,অত্যন্ত মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু কারও প্রতি কোনও অভিযোগ নেই। ভালোবাসেন এমন সহকর্মীও রয়েছেন',
লকডাউনের জন্য পরবর্তী চিকিৎসা বন্ধ পাঁচ মাস। শেষ অনুষ্ঠান করেছিলেন লকডাউন শুরুর একেবারে আগেই। নিবেদিতা স্কুলের সন্ন্যাসিনীদের অনুরোধে। রবীন্দ্রনাথের গান দিয়ে পুরো রামায়ণ তৈরি করেছেন, নাম দিয়েছেন- রবি রামায়ণ। খুঁজে বের করেছেন ৪১টি গান।' একটা সময় সুর করেছেন নিজের কথায়।
'নিজের সুরে আর ক, থায় কিছুদিন আগেই একটা গান পোস্ট করেছেন ‘আমার ইউটিউব’ চ্যানেলে। এখন অ্যালবামের কনসেপ্টটা প্রায় নেই। সবটাই ডিজিটাল।
রবীন্দ্রসঙ্গীতের ইংরেজি অনুবাদ থেকে গীতার রাবীন্দ্রিক সংস্করণ-সব কিছুই করেছেন। 'অনেক শিল্পীই জীবিত অবস্থায় কাজের মর্যাদা পান না। আমার কাজও হয়তো পরবর্তী সময়ে আরও বেশি প্রশংসিত হবে, দুঃখের রেশ গায়িকার গলায়। নজরুল ইসলামের লেখা ৫১টি ভক্তিগীতি নিয়ে কাজ করেছেন। ইচ্ছে ছিল একান্ন পীঠ ঘুরে এই গানগুলো রেকর্ড করা।
রবীন্দ্র কবিতায় সুর দেওয়ার জন্য যেমন সমালোচিত হয়েছেন, তেমনই বিভিন্ন শিল্পীর কাছ থেকে পেয়েছেন অকুণ্ঠ ভালোবাসা। সুচিত্রা মিত্র, নবনীতা দেবসেন, অমর্ত্য সেন, জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায় প্রমুখ ভালোবাসার মানুষের অভাব ছিল না। ভালো কাজ করার ইচ্ছেই তাঁকে এই অসুস্থ শরীরেও চালিয়ে নিয়ে যায়।