নীরা শর্মা নেপালের নাগরিক হয়েও দার্জিলিঙের কাউন্সিলর
দার্জিলিং, ২৫ অক্টোবর :আসলে তারা নেপালের নাগরিক। অথচ, দার্জিলিংএ এসে ভারতীয় সেজে ভোটার কার্ড থেকে শুরু করে যাবতীয় সরকারি প্রমাণপত্র তৈরী করে নিয়েছে ।কেউ করছে সরকারি চাকরি।আবার কেউ হয়ে গেছেন কাউন্সিলর। পাহাড়ের আন্দোলনের সময়ের তদন্ত করতে গিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকদের হাতে উঠে এল মারাত্মক তথ্য।
কয়েকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে দার্জিলিং পৌরসভার চার কাউন্সিলরের নাগরিকত্ব নিয়েই সংশয় দেখা দেয়।তদন্তে দেখা যায়, দার্জিলিং পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নীরা শর্মা আদতে নেপালের ইলম জেলার নাগরিক। দার্জিলিঙে এসে ভোটার কার্ড ও অন্য নথি তৈরি করে পাকাপাকিভাবে আস্তানা গড়েন দার্জিলিঙে। সম্প্রতি পৌর নির্বাচনে মোর্চার টিকিটে জয়ীও হনতিনি। তদন্তকারী আধিকারিকদের তদন্তে ধরা পড়ে যে,নীরা আন্দোলনের সময়ে পাহাড়ে অশান্তি ছড়াতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন । নেপাল থেকে তাঁর নেতৃত্বতেই প্রায় ১৫০ জন দার্জিলিঙে এসে গন্ডগোল বাধিয়ে যথেচ্ছ ভাঙচুর চালায়।পাশাপাশি, নেপাল থেকে অস্ত্র আমদানিতেও নীরার যোগসূত্র মিলেছে বলেই জেলা প্রশাসনের দাবি । তদন্তে সব বিষয়গুলো সামনে আসতেই তিনি নেপালের ইলমে চলে গিয়েছেন।
নেপালের নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও এদেশে এসে অবৈধভাবে নাগরিকত্ব দেখিয়ে জনপ্রতিনিধি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে দার্জিলিং পৌরসভার আরও তিন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। তাঁদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে।
দার্জিলিঙের স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ যে , নেপাল থেকে আসা অন্তত ৫ লাখ মানুষ দার্জিলিং জেলায় পাকাপাকিভাবে বসবাস করছে। সঠিক তদন্ত হলে জেলাজুড়ে লাখ লাখ মানুষের ক্ষেত্রেই অবৈধ নাগরিকত্বর বিষয়টি সামনে আসবে বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের।