বিমল গুরুংয়ের বাড়ির সামনেই পাওয়া গেল বিস্ফোরক তৈরীর কারখানা ও নাম সহ এক ডায়েরি।
পাতালেবাসে বিমল গুরুংয়ের বাড়ির কিছুটা দূরেই পাওয়া গেলো এক অস্ত্র কারখানা। মোর্চার প্রধান পলাতক। পাহাড়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য আলোচনার রাস্তা খুলে যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় এক নতুন বিপত্তি। দার্জিলিং সহ পাহাড়ের বিস্তীর্ণ এলাকায় ধারাবাহিকভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা হয়ে চলেছে।
তার জেরেই মোর্চা চাপে পরে ও পাহাড়ে এখন পুলিশি তল্লাশি চলছে। এমনি এক তল্লাশি মোর্চা প্রধান বিমল গুরুংয়ের বাড়ির সামনে চালাতে গিয়ে হতবাক হল পুলিশ। পাওয়াগেল এক আস্ত অস্ত্র কারখানা। কারখানাটিতে গ্রেনেড ও আইইডি বিস্ফোরক তৈরী হত বলে অনুমান পুলিশের। কারখানায় পাওয়াগেল ওই বিস্ফোরকগুলির কাঁচা মাল। পুলিশের অনুমান ওই কারখানায় তৈরী হওয়া বিস্ফোরক দিয়েই পাহাড়ে ধারাবাহিকভাবে বিস্ফোরণ ঘটেছে। সমস্ত সম্ভবনার দিকগুলি পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে।
দার্জিলিং পুলিশ সুপার অখিলেশ চতুর্বেদী জানান, এই কারখানা থেকে মোট ৩৯৩ টি জিলেটিন স্টিক উদ্ধার করা হয়। আইইডি বিস্ফোরক তৈরী করার জন্যে এই জিলেটিন স্টিক ব্যবহার করা হত। সোমবার লেবং থেকে প্রচুর পরিমাণে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও এই কারখানার হদিশ পাওয়ার মধ্যে মোর্চার যোগ আছে বলে অনুমান পুলিশের। তদন্ত চলছে।
অস্ত্র কারখানা থেকে উদ্ধার হয় একটি ডায়েরিও। ডায়েরিটিতে মোর্চার কয়েকজন যুব নেতাদের নামও আছে। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া গেছে মোর্চার পতাকাও। এই কারখানার সাথে মোর্চার নেতাদের কোন যোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই দিন শিলিগুড়ির মোর্চা নেতা হেমন্ত গৌতমের বারোতেও প্রায় ২-ঘন্টা তল্লাশি চালানো হয়।