গুরগাঁওয়ের ভোঁদ্সি এলাকায় রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এক দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রর গলা কেটে খুন করা হয়।

গুরগাঁওয়ের ভোঁদ্সি এলাকায় রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এক দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রর গলা কেটে খুন করা হয়।

শুক্রবার সকালে রায়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ক্যাম্পাসে দ্বিতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রর গলা কেটে খুন করে তাকে বাথরুমে পরে থাকে দেখে সেই বিদ্যালয়েরই আরেক ছাত্র। বাথরুমে ঢোকার সময় সেই দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রটিকে রক্তে ভরা মাটিতে পরে থাকতে দেখে আরেক ছাত্র। তারপরেই সে বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে ঘটনাটি জানায়। প্রথমে ছেলেটি বেঁচে থাকায় তাকে এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় কিন্তু সেখানকার ডাক্তার তাকে মৃত বলে ঘোষিত করে। দক্ষিণ গুরগাঁওয়ের ডেপুটি কমিশনার অশোক কুমার বক্সী জানান সকাল ৮ টা নাগাদ লাশটি পাওয়ার পর পুলিশকে বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ ঘটনাটির বিষয় জানায় ও জানায় যে লাশটির পাশে এক রক্তাক্ত ছুড়িও পাওয়া গেছে। ভোঁদ্সি থানার পুলিশ এই ঘটনাটিকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার অধীনে মামলা দায়ের করে। গুরগাঁওয়ের ডেপুটি কমিশনার সীমারদীপ সিংহের সাথে একটি ফরেনসিক দলও সেই স্কুলে পৌঁছায় ঘটনাস্থলটি খুঁটিয়ে দেখার পর তদন্তও শুরু করে। সিংহ জানান যে তার বাবা তাকে সকালে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দিয়ে ঘরে ঢোকার সময়ই তার ফোনে একটা জরুরি কল আসে। তাঁর গুরুতর আহত ৮ বছরের সন্তান কে দেখতে স্কুলে যান যখন শিশুটিকে এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃত ঘোষিত হওয়ার পর তাকে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়। মৃতের বন্ধু, পুলিশকে জানায় যে সে প্রতিদিনই বিদ্যালয়ে ঢোকার পরেই বাথরুমে যেত ও পুলিশের দাবি যে অভিযুক্তের এই ব্যাপারটা জানা ছিল এবং সেই ফায়দাটা নিয়েই তাকে খুন করা হয়। মৃতের বোনও ওই বিদ্যালয়ের ৫ ই শ্রেণীতে পড়ে। বিদ্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশ তদন্তের জন জমা রাখে, কিন্তু বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের দাবি যে বাথরুমের সামনের ক্যামেরাটা অচল ও আশ্বাস দেয় যে পুলিশের তদন্তে বিদ্যালয়ও সব দিক দিয়ে সহযোগিতা করবে।