২২ বছরের নাগপুর ভিত্তিক পুলিশ আধিকারিকের মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়।

২২ বছরের নাগপুর ভিত্তিক পুলিশ আধিকারিকের মেয়েকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়।

নাগপুর ভিত্তিক সাবইন্সপেক্টরের মেয়েকে তাঁর বন্ধুরা পালাকরে ধর্ষণ করে, পুলিশে অভিযোগ জানানোর ধমকি দেওয়াতে তাঁকে খুন করে।

০৪.০৯.২০১৭, নাগপুর: নাগপুরের সেই পুলিশ সাবইন্সপেক্টরের মেয়ের বাড়িতে তাঁর বন্ধু নীলেশ ও আরেক বন্ধু নিখিলেশ পাটিল যিনি নাগপুরেরই আরেক বাসিন্দা নীলেশের গাড়িতে তাঁর সাথে দেখা করতে আসেন। ঘুরতে যাওয়ার নাম করে অভিযুক্ত নিখিলেশ পাটিল তাঁর আরেক বন্ধু অম্বরনাথের অক্ষয় ভালোদের বাড়িতে নিয়ে যান। 

  পুলিশ রিপোর্ট অনুযায়ী মেয়েটি নাগপুরেরই এক ভিখরোলি ভিত্তিক ফার্মের আই টি ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। অক্ষয় ভালোদের বাড়িতে তিনি ও তাঁর বন্ধু নিখিলেশ মিলে মেয়েটিকে পালা করে ধর্ষণ করেন। মেয়েটি পুলিশে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানোর হুমকি দেন। পুলিশের ভয় উভয় বন্ধু মিলে মেয়েটির মুখ চেপে ধরে ও তাঁকে খুন করে। তারপর লাশটিকে ব্যাগের মধ্যে ভোরে গাড়ির ডিকিতে ঢুকিয়ে দেন অক্ষয় ও নিখিলেশ।

  নীলেশ এই ঘটনার ব্যাপারে কিছু তখনও জানেননা ও তাঁদের জন্য নিচের সিঁড়িতে প্রতীক্ষা করেন। মাঝরাস্তায় গাড়ি থামিয়ে ডিকি থেকে কিছু ফেলার সময় নীলেশ সন্দেহ করেন ও তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন - বলেন বিনীত চৌধারি রত্নগিরি থানার ইন্সপেক্টর।

  অপরাধ করে গাড়িতে পালানোর সময় নীলেশকে দুই অপরাধী সব ব্যক্ত করেন। নীলেশ তাঁদের উপদেশ দেন যে তাঁরা যেখানেই পালাকনা কেন পুলিশের হাতে পরে ধরা ঠিক পরবেই। তাই তাঁরা যদি আগের থেকেই পুলিশের কাছে সব অপরাধ শিকার করে তালে সেটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। নির্দোষ অভিযোগকারী নীলেশের কথা শুনে তাঁরা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে এক পুলিশ দফতরে থেমে পুলিশের কাছে পুরো ঘটনাটা ব্যক্ত করেন। নিখিলেশ ও অক্ষয়ের দাবি তাঁরা পুনে-বেলগাওম রাস্তার কোলাপুরের কাছাকাছি লাশটাকে নিক্ষেপ করেন।