ভিড়ের মাঝে হটাৎ গুলি জখম ৩
ভিড়ের মাঝে হটাৎ গুলি জখম ৩
শনিবার সন্ধ্যায় মেদিনীপুর শহরের কুইকোটায় এটিএমে টাকা ভরতে আসা এক নিরাপত্তারক্ষীর বন্দুক থেকে অসাবধানতাবশত গুলি বেরিয়ে জখম হলেন তিনজন।আহতরা মেদিনীপুর মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন।অসাবধানতাবশত গুলি বেরিয়েই এই বিপত্তি বলে জানা গেছে।কমলেশ ঘোষ নামে ওই নিরাপত্তারক্ষীর বাড়ি খড়্গপুর গ্রামীণে। তাঁকে আটক করেছে পুলিশ। জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, “অসাবধানতাবশতই বন্দুক থেকে ওই গুলি বেরিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’’ তবে গুলি সরাসরি কারও হাতে-পায়ে গুলি লাগেনি, মাটিতে লেগে স্প্লিটার ছড়িয়ে পড়ে। জেলা পুলিশের ওই কর্তার কথায়, “ তিনজনেরই আঘাত সামান্য।”
মেদিনীপুর শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা কুইকোটা। সেখানে ভরসন্ধেয় হঠাৎ গুলির শব্দে মুহূর্তে প্রচুর লোকের ভিড় জমে ঘটনাস্থলে। কিছু সময়ের জন্য সিপাইবাজার-আবাস রাস্তায় যান চলাচলও ব্যাহত হয়।
গন গেছে।কুইকোটার একটি এটিএমে টাকা ভরতে এ দিন সন্ধ্যায় এক বেসরকারী সংস্থার গাড়ি এসেছিল। গাড়িতে কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। এঁদেরই একজনের বন্দুক থেকে আচমকা একটি গুলি বেরিয়ে যায়। এটিএমের পাশেই একটি ফুচকার দোকানে তখন ফুচকা খাচ্ছিলেন কয়েকজন। মাটিতে গুলি লাগার পরে স্প্লিটার গিয়ে বেঁধে তিনজনের পায়ে । জখম হন সুমন দাস, পায়েল চালক, মৌসুমী দত্ত ও সুমন দাস।
মেদিনীপুর শহরে গুলি চলার ঘটনা নতুন নয়। কিছুদিন আগেই শহরের পুলিশ লাইনের কাছে তেঁতুলতলার মাঠে গুলি চালনার ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ হয় এক যুবক।তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, দু’পক্ষের মধ্যে বচসার জেরেই ওই ঘটনা ঘটে। দুই যুবককে গ্রেফতার করে পিস্তলটিও উদ্ধার হয়। তাই, এ দিন গুলি চলার পরে শহর জুড়ে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে জানা যায়, অসাবধনতায় গুলি ছিটকেই এই বিপত্তি।
আবার,অসাবধানতাবশত গুলি চলার ঘটনাও এই প্রথম নয়। কয়েক মাস আগে কেশপুরে ব্যাঙ্ক থেকে টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় এক নিরাপত্তারক্ষীর মৃত্যুও হয়েছিল। ওই নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন গাড়িতে । আচমকাই তাঁর নিজের কাছে থাকা বন্দুক থেকেই গুলি বেরিয়ে যায়।